Tips, tutorials, and techniques for the modern Freelancer.
#43
এখনই ইন্টারনেটে আয় শুরু করতে চান ? সম্ভব। সরাসরি কম্পিউটারের সামনে বসে কয়েক মিনিটেই টাকা আয় করতে পারেন। টাকার পরিমান কিংবা কখন সেই টাকা হাতে পাবেন সেবিষয়ে প্রশড়ব থাকতে পারে, আয় নিশ্চিত।

ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয়ের জন্য বিশেষ কোন বিষয়ে দক্ষতা প্রয়োজন হয়। সেজন্য প্রয়োজন হয় দীর্ঘ প্রস্তুতি। এরপর নির্দিষ্ট নিয়মে কাজ করা। সেই পর্যায়ে যাওয়ার আগেই যদি কিছু আয় করতে চান তাহলে এই পদ্ধতিগুলি কাজে লাগাতে পারেন। ইন্টারনেট থেকে আয় করা যায় একথা বোঝার জন্য, কিংবা দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট ব্যবহারে অভ্যস্থ হওয়ার জন্য এগুলি কার্যকর।

সমস্যার কথাও আগেই জানিয়ে রাখা ভাল। এভাবে আয়ের পরিমান অত্যন্ত কম। একে কখনোই পেশা হিসেবে ধরে নিতে পারেন না। বরং অন্য আয়ের সাথে কিছুটা বাড়তি আয় বিবেচনা করতে পারেন।


শুরু করবেন যেভাবে

শুরু করার জন্য আপনার প্রাথমিক কিছু বিষয় প্রয়োজন। অন্তত ব্যবহারযোগ্য একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ। কাজের জন্য কিছুটা সময় এবং যায়গা। যে কাজই করুন, মনোযোগ দিয়ে করা ভাল। নিজের বাড়িতে কাজ করার সময় অন্যরা যেন বিরক্ত না করে সেটাও নিশ্চিত হয়ে নিন। এরপর আয়ের জন্য কাজ শুরু করুন।
  • ইমেইল একাউন্ট না থাকলে তৈরী করে নিন
    ইন্টারনেট মাধ্যমে যে কোন যায়গায় কাজের জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ইমেইল। কোথাও সদস্য হতে হলে অন্য কিছু প্রয়োজন না হোক, অন্তত ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে। যদি ইমেইল একাউন্ট না থাকে তাহলে তৈরী করে নিন।

    বিনামুল্যের ইমেইল ব্যবস্থার জন্য মাইμোসফট, গুগল এবং ইয়াহু জনপ্রিয়। কাজের জন্য অনেকে নির্দিষ্ট করে গুগল (জি-মেইল) ব্যবহারের পরামর্শ দেন। সেটা ব্যবহার করাই ভাল। যদি আগে থেকে অন্য ই-মেইল ব্যবহার করেন তাহলেও কাজের জন্য পৃথক আরেকটি একাউন্ট তৈরী করে নিতে পারেন।

    ই-মেইল একাউন্ট তৈরী করা খুব সহজ। তাদের সাইটে গিয়ে নাম, ঠিকানা, পাশওয়ার্ড ইত্যাদি দিয়ে ফরম পুরন করতে হয়। ভালভাবে পড়ে ধীরেসুস্থে ফরম পুরন করলে সমস্যা হওয়ার কথা না। এরর্পও সমস্যা হলে এখানে দেয়া টিউটোরিয়াল অনুসরন করুন।
  • অনলাইন ব্যাংকিং একাউন্ট তৈরী করুন
    অনলাইনে কাজ করে টাকা পাওয়ার জন্য অনেকগুলি পদ্ধতি রয়েছে। এবিষয়ে বিস্তারিত লেখা রয়েছে পরের দিকে। সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ই-মেইল ভিত্তিক ব্যাংকিং একাউন্ট ব্যবহার করা। বাংলাদেশে পে-পল ব্যবহার করা যায় না। তাদের সাইটে বাংলাদেশে নাম নেই দেখে অনেকে অন্য দেশের নাম ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। একাজ কখনো করবেন না। বাংলাদেশ থেকে তাদের সাইটে ঢুকলে আপনার আইপি এড্রেস থেকে সেটা তারা জানবে। সেখানে জমা হওয়া টাকা কখনো উঠানোর সুযোগ পাবেন না।

    পিটিসি ধরনের সহজে আয়ের সাইটগুলি সাধারনত পে-জা (আগের নাম এলার্ট-পে) ব্যবহারের সুযোগ দেয়। কিছু ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে টাকা উঠানোর জন্য মানিবুকারস ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশ থেকে এদুটি পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। আপনার দুই একাউন্টই প্রয়োজন হতে পারে। পেজা কিংবা মানিবুকারস এর একাউন্ট তৈরীর জন্য তাদের সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করতে হয়। এখানে নাম-ঠিকানা ইত্যাদির সাথে ইমেইল এড্রেস দিতে হয়। এখানে যে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করবেন সেটা ব্যবহার করে টাকা গ্রহন করবেন।

    তারা ইমেইল এড্রেস নিশ্চিত করার জন্য একটি লিংক সহ মেসেজ পাঠায়। ফরম পুরন করার পর ই-মেইল ওপেন করে সেই লিংকে ক্লিক করুন। নিশ্চিত করার কাজটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (কয়েক ঘন্টা) করতে হয়। একাউন্ট তৈরীর সাথেসাথেই একাজটিও করে ফেলুন। এদের সদস্য হওয়ার সময় ব্যাংকের তথ্য না দিলেও চলে। একাউন্ট তৈরী হলে সেখানে টাকা জমা করতে পারবেন, সেখান থেকে অনলাইনে কেনাকাটাও করতে পারবেন। টাকা উঠানোর সময় ব্যাংকের তথ্য দিয়ে টাকা উঠালে আপনার ব্যাংকে জমা হবে। সেকারনে এখানে নাম-ঠিকানা দেয়ার সময় নির্ভুল তথ্য দিন।

    অনেকে অনলাইন একাউন্ট ব্যবহারের জন্য পৃথক ই-মেইল ব্যবহার করেন। আপনিও সেটা করতে পারেন।

    এধরনের একাউন্টে টাকা পাওয়ার জন্য একাউন্টের ইমেইল এড্রেস দিতে হয়। সেখানে টাকা পাঠালে একাউন্টে টাকা জমা হবে এবং আপনার ইমেইলে একটি মেসেজ দিয়ে আপনাকে নিশ্চিত করা হবে। শতর্কতা : আপনার একাউন্ট নাম এবং পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে যে কেউ আপনার একাউন্টের টাকা খরচ করতে পারে। এই তথ্যগুলি কখনও কাউকে দেবেন না। এমনকি কোন সাইট যদি কোন সমস্যা সমাধানের জন্য দিতে বলে তখনও না। কোন ভাল কারনে কারোই এই তথ্য প্রয়োজন হওয়ার কথা না।
  • নির্দিষ্ট সাইটে দিয়ে সদস্য হোন
    আপনি ইন্টারনেটে টাকা খোজ করছেন না, কাজ খোজ করছেন। আপনাকে এমন কোন সাইটের সদস্য হতে হবে যারা আপনাকে কাজ দেবে। সেটা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করাই হোক অথবা অন্য কাজই হোক।

    যে সাইটে কাজ করতে চান তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন সেটা ব্যবহার করার উপযোগি কি-না। তাদের সাইটে গিয়ে একই নিয়মে ফরম পুরন করে সদস্য হোন। অনেক ক্ষেত্রেই আপনাকে মেইল পাঠিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করতে বলতে পারে নিশ্চিত করার জন্য। ফরম পুরন করার পর ইমেইল দেখুন এবং তাদের দেয়া লিংকে ক্লিক করুন।

    কখনো কখনো তাদের পাঠানো মেইল জাংক মেইল হিসেবে জমা হতে পারে। যদি সরাসরি মেইলবক্সে মেইল না পান তাহলে সেখানে খোজ করুন।
  • কাজ করুন
    আপনি যেখানে সদস্য হয়েছেন তাদের সাইটটি ভালভাবে দেখুন, কাজের নির্দেশগুলি ভালভাবে পড়ে বুঝুন। এরপর আয় করার জন্য যা যা করতে বলেছে সেগুলি করুন। প্রতিটি সাইটের কাজের ধরন ভিনড়ব ভিনড়ব। সেকারনে প্রতিটি সাইটের নিজস্ব নির্দেশ পড়া জরুরী। সেইসাথে কিভাবে বেশি আয় করা যায় এধরনের নানা পরামর্শ দেয়া থাকে তাদের সাইটে। সেগুলি পড়ে নিন। যদি পিটিসি সাইটে কাজ করেন তাহলে কাজ করার সাথেসাথেই আপনার একাউন্টে জমা টাকার পরিমান দেখতে পাবেন।

একটু সামান্য অভিজ্ঞতা আপনাকে শিখিয়ে দেবে যে ফ্রিল[…]

যাঁরা প্রচলিত অফিস বাদ দিয়ে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং[…]