Tips, tutorials, and techniques for the modern Freelancer.
#31
প্রতারনা ২ : ভুয়া সাইট

ভুয়া সাইট বা স্ক্যাম (ঝপধস) সাইট হচ্ছে যারা কাজ করার পর টাকা দেয় না। স্ক্যাম শব্দটি বিভিনড়ব অর্থে ব্যবহার করা হয়। এখানে নির্দিস্ট করে তাদের কথা বুঝানো হচ্ছে যারা টাকা দেয়ার কথা বলে দেয় না।

টাকা চাইলে দেব না, এই শতর্কতা যারা অবলম্বন করেন তাদের ঠকানোর জন্য উনড়বততর কৌশল এটা। তারা টাকা দিতে বলে না, কাজ করতে বলে। কাজ করে যে টাকা জমা হয় সেই টাকা পাওয়া যায় না।

উদাহরন দিয়ে দেখা যাক। ২ ডলার পিটিসি, ৬ ডলার পিটিসি, ১০ ডলার পিটিসি ইত্যাদি নামে কিছু পিটিসি সাইট রয়েছে (বা ছিল)। নাম থেকে ধারনা করা যায় তারা প্রতিবার ক্লিক করলে ২, ৬ বা ১০ ডলার দেবে। আপনি বিনা টাকায় তাদের সদস্য হতে পারেন। টাকা আয় করতে পারেন।

এরপর যা ঘটে, আপনি প্রতিবার ক্লিক করার সাথেসাথে দেখতে পাবেন আপনার একাউন্টে (তাদের সাইটে) টাকা জমা হচ্ছে। আপনি আরো উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে থাকলেন। আপনাকে প্রথমেই শর্ত দেয়া হয়েছে ৬০০০ ডলার বা ১০ হাজার ডলার জমা না হওয়া পর্যন্ত টাকা উঠাতে পারবেন না (নিজের ব্যাংক একাউন্টে পাঠাতে পারবেন না)। এই নিয়মে কখনো আপনার নামে সেই পরিমান টাকা জমা হয় না।

৬০০০ ডলারের লক্ষে কাজ করে হয়ত ৫০০০ ডলার পর্যন্ত জমা করলেন। এরপর একদিন দেখলেন আপনার লগিন পাশওয়ার্ড কাজ করে না। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানাল সব ঠিক আছে, আবারো চেষ্টা করুন, অথবা নতুন একাউন্ট করুন।

ততদিনে আপনার হয়ত শিক্ষা হয়ে গেছে। এভাবে অন্যরাও একপর্যায়ে শিক্ষালাভ করেন। তখন দেখা যায় সাইটটি উধাও।

আপনি নিশ্চয়ই এভাবে সময় নষ্ট করতে চান না।

আরেকটি উদাহরন ফাষ্ট২আর্ন নেটওয়ার্ক। তাদের অনেকগুলি সাইট রয়েছে ভিনড়ব ভিনড়ব নামে। কিছু অভিজ্ঞতা থাকলে খুব সহজেই তাদের সম্পর্ক ধরতে পারেন। কখনো কখনো বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য সামান্য টাকা উঠানোর সুযোগ দেয় (হয়ত ২ ডলার)। সেইসাথে আপনাকে বলে টাকা পাওয়ার প্রমান তাদের সাইটে প্রকাশ করতে যেন অন্যরা সেটা দেখে বিশ্বাস করে।

ইন্টারনেটে টাকা আয়ের সময় একথা মনে রাখাই ভাল, সব সাইটকে বিশ্বাস করা যায় না। এদের অনেকেই প্রতারক। কোন সাইটকে কিভাবে যাচাই করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত লেখা হয়েছে পরের দিকে।

একটু সামান্য অভিজ্ঞতা আপনাকে শিখিয়ে দেবে যে ফ্রিল[…]

যাঁরা প্রচলিত অফিস বাদ দিয়ে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং[…]